২২ জানুয়ারি ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ
আগামী ২২ জানুয়ারি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ই-পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আর এর মাধ্যমে বহু প্রতিক্ষিত ইলেকট্রনিকস পাসপোর্টের (ই-পাসপোর্ট) যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ।
তারপরও আগামী কয়েক বছর ধরে ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি চলবে যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
সূত্রমতে, ইতিমধ্যেই ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর বিমানবন্দরে ই-গেটসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করেছে। নির্ধারণ করা হয়েছে এই পাসপোর্টের ফরম ও ফি। উদ্বোধনের পর থেকেই গ্রাহকরা ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র মতে, বহুল কাঙ্ক্ষিত ই-পাসপোর্ট পেতে অতি জরুরি ফি জমা দিলে সব তথ্য ঠিক থাকলে দুই দিনের মধ্যেই তা হাতে পাবেন গ্রাহক। ফি জমাভেদে পাঁচ বছর ও দশ বছর মেয়াদের এই পাসপোর্টে ৪৮ পৃষ্ঠা ও ৬৪ পৃষ্ঠা থাকবে। ই-পাসপোর্টের আবেদন ফরম সত্যায়ন করতে হবে না। তবে আগের মতোই পুলিশ ভেরিফিকেশন থাকছে। ফরমে একজন গ্রাহককে প্রায় ৮৪ ধরনের তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে তারকা চিহ্নিত অন্তত ৪২টি তথ্য অবশ্যই দিতে হবে।